1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ডয়চে ভেলে রেডিও - সব সময় কানের কাছে

অনুষ্ঠান শুনতে পারেন নি? এখানে ইচ্ছামতো ডয়চে ভেলে রেডিও-র অনুষ্ঠান শুনতে পারেন৷

সম্প্রচারের কিছুক্ষণ পরেই অনুষ্ঠান মিডিয়া প্লেয়ার-এর মাধ্যমে শোনা সম্ভব৷

আপনাদের জন্য বিশেষ একটি ঘোষণা৷ ডয়চে ভেলে রেডিওর বাংলা অনুষ্ঠান বাংলাদেশে এখন এফ এম তরঙ্গে - সকাল এবং রাতে - আটটা থেকে সাড়ে আটটায় প্রচারিত হচ্ছে৷ এফএম-এ ঢাকায় ৯৭.৬, খুলনায় ১০২, সিলেট ও রজশাহীতে ১০৫, চট্টগ্রাম ও রংপুরে ১০৫.৪ মেগাহার্তসে আমাদের অনুষ্ঠান শুনছেন৷ আর শর্টওয়েভে সকালের অনুষ্ঠান বাংলাদেশ সময় সকাল আটটায়, ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে সাতটায়৷ শর্টওয়েভে আমাদের সকালের অধিবেশন ১৪ই এপ্রিল থেকে প্রচারিত হচ্ছে ১১,৯৭০ কিলোহার্তস-এ৷ আর আমাদের রাতের অধিবেশন প্রচারিত হচ্ছে ৬১৮০, ৯৫৪০, ৯৬৫৫ এবং ১৫৪৮ কিলোহার্তস-এ৷

ইচ্ছামতো অডিও ফাইল শুনুন

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    বাংলা বিভাগ

    আমাদের কর্মীদল – প্রতিদিন আমরাই আপনাদের সামনে তুলে ধরি নিত্যদিনের খবর, ঘটনা৷ তৈরি করি রিপোর্ট, প্রতিবেদন, নানা বিষয় ও মেজাজের পটভূমি ভিত্তিক ফিচার৷ আমাদের বেতার অনুষ্ঠান, ওয়েবসাইট, পডকাস্টের মধ্য দিয়ে আপনাদের সঙ্গে এক অচ্ছেদ্য সংযোগ গড়ে তুলতে আমরা সদা সচেষ্ট৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    গ্রেহেম লুকাস

    দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ডয়চে ভেলের রয়েছে বাংলা, হিন্দী, উর্দু ও ইংরেজি ভাষায় রেডিও ও ইন্টারনেট পরিষেবা৷ এই বিভাগের প্রধান গ্রেহেম লুকাস৷ এর আগে তিনি ডয়চে ভেলের ইংরেজি ভাষা বিভাগের উপ-প্রধান ছিলেন৷ সেসময়ে তিনি মূলত এশিয়ার খবরাখবরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন৷ বহু বছর ধরে তিনি রেডিও ও টেলিভিশন সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেছেন৷ অনলাইন পরিষেবার ক্ষেত্রেও তাঁর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে৷ তিনি ১৯৮৩ সাল থেকে ডয়চে ভেলেতে কর্মরত৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    আব্দুল্লাহ আল-ফারুক

    বাংলা বিভাগ ও অনুষ্ঠানের জন্মলগ্ন থেকেই সঙ্গী৷ রেডিও পাকিস্তান, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র, বাংলাদেশ বেতার হয়ে ১৯৭৪ সালের শেষে ডয়চে ভেলেতে যোগদান৷ আশির দশকের গোড়াতে চার বছর ওয়াশিংটন ডিসি-তে ভয়েস অফ অ্যামেরিকার বাংলা সার্ভিসে কাজ করেছেন৷ তারপর ১৯৮৬ সাল থেকে আবার ডয়চে ভেলে৷ বিশিষ্ট জনের সাক্ষাত্‌কার নিতে ভালবাসেন৷ শখ - বই পড়া, বেড়ানো আর গান শোনা - বিশেষ করে রবীন্দ্র সঙ্গীত৷ আনন্দ পান কবিতা পাঠে৷ বিভিন্ন ধর্ম আর সংস্কৃতির মাঝে সংলাপ চান একান্তভাবে৷ সেই ইচ্ছা থেকেই সেতুবন্ধ অনুষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘ সংযোগ৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    মারুফ আহমেদ

    আমি মারুফ আহমদ ৷ পেশায় চিত্রশিল্পী ৷ ঢাকা আর্ট কলেজ থেকে BFA পাশ করেছি ১৯৭৩ সালে ৷ ১৯৭৬ সালে আসি জার্মানিতে এবং জার্মান একাডেমিক এক্সচেঞ্জ সার্ভিস (ডিএএডি) এর স্কলারশিপে চিএশিল্পের ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষা লাভ করি ৷ চিএকলার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সার হিসাবে ডয়চে ভেলের সাথে জড়িত ৷ বর্তমানে ''নন্দন'' অনুষ্ঠান উপস্হাপনা করছি৷ আমার লক্ষ্য, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জার্মানি তথা পশ্চিমী দুনিয়ার সংস্কৃতির সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেয়া৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

    ডয়চে ভেলেতে সম্পাদকের কাজে যোগ দিই ২০০২ সালের সেপ্টম্বর মাস থেকে৷ সাংবাদিকতা কোলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায়৷ তারপর যুগান্তরে কিছুদিন৷ বেতারের অভিজ্ঞতা আকাশবাণীর এফ এম অনুষ্ঠানে এবং এ টি এন বাংলায়৷ ই টিভি বাংলায় সংবাদপাঠক এবং প্রযোজকের কাজ নিয়ে দক্ষিণ ভারতের হায়দ্রাবাদ শহরে ছিলাম ২০০২ সাল পর্যন্ত৷ তারপর থেকে ঠিকানা - কেয়ার অফ ডয়চে ভেলে, প্রথমে কোলন আর এখন বন৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    রায়হানা বেগম

    উচ্চ শিক্ষার সূত্রে জার্মানিতে যাত্রা৷ ডুইসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা বিজ্ঞানে বর্ণ বৈষম্য নিয়ে ডক্টরেট করার পাশাপাশি ডয়েচে ভেলের সঙ্গে সংযোগ ৮০র দশকের গোড়ার দিকে৷ সেই থেকে নানা রকম অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত৷ বিশেষ করে নারী বিষয়ক অনুষ্ঠান এবং শ্রোতাদের চিঠি পত্রের আসরের সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের সংশ্লিষ্টতা৷ এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদেশীদের জার্মান ভাষা শেখানো এবং অনুবাদের কাজেও সম্পৃক্ত৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    সঞ্জীব বর্মন

    প্রায় এক দশক ধরে ডয়চে ভেলের সঙ্গে যুক্ত৷ সাংবাদিকতা শুরু করার আগে জার্মান ভাষার শিক্ষকতা ও কলকাতায় জার্মান দূতাবাসে জনসংযোগের কাজের সময়েও দায়িত্ব ছিল জার্মানি ও ভারতের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করা৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    অরুন শংকর চৌধুরী

    এককালে ইংরিজীর ছাত্র, পরে একটি ব্যাঙ্ক এবং দুটি সরকারী চাকুরী হয়ে শেষমেষ বিবাহসূত্রে জার্মানীতে বসবাস৷ ১৯৮২-৮৩ সাল যাবত্ ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের সঙ্গে সংযোগ৷ পড়তে, লিখতে এবং জার্মানীর সৌখীন জঙ্গলে হাঁটতে ভালোবাসেন৷ আর ভালোবাসেন যা কিছু পুরনো, এবং যা কিছু স্বদেশের সঙ্গে যুক্ত৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    হোসাইন আব্দুল হাই

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করি৷ এরপর সেখান থেকেই সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা৷ তবে সাংবাদিকতার শুরু ২০০১ সালে৷ ডেইলি স্টার, বাসস এবং বিটিভি’র রাজশাহী প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘসময় দায়িত্ব পালন করি৷ ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগে ইন্টার্নশিপ শুরু করি৷ জুন মাস থেকে একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে শ্রোতাদের সাথে বন্ধন তৈরি করছি৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    দেবারতি গুহ

    ছোটবেলার কলকাতা-ঢাকা শহর ছেড়ে প্রথমে দিল্লীর জওহারলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা, পরে জার্মান দৈনিক ফ্রাঙ্কফুর্টার আলগেমাইনে সাইটুং-এ সাংবাদিকতার প্রথম পাঠ৷ ২০০৫ সালের মাঝামাঝি পাড়ি জার্মানিতে৷ ২০০৬ থেকে ২০০৭ ডয়েচে ভেলেতেই সাংবাদিকতায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ৷ হাতে কলমে সেই শিক্ষানবিশির পর আজ ডয়চে ভেলে দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের একজন নিয়মিত কর্মী৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    আরাফাতুল ইসলাম

    সাংবাদিকতায় তার হাতেখড়ি দৈনিক ইত্তেফাকে৷ এরপর কাজ করেছেন বিডিনিউজ এবং সাপ্তাহিক ২০০০ এ৷ মাঝে মাঝে লিখেছেন বিদেশী সংবাদমাধ্যমে৷ অনলাইন সাংবাদিকতা বিষয়ক এওয়ার্ড অফ দ্যা রাডার কনটেস্ট জিতেছেন ২০০৭ সালে৷ ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগের ওয়েবসাইটের একজন কারিগর তিনি৷ আরাফাত-এর অবসর সময় কাটে ব্লগ লিখে৷ আর, এদিক সেদিক মানে ‘হিমু’র মতো ঘুরে বেড়ানোটা শখ তাঁর৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    রিয়াজুল ইসলাম

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবেই সাংবাদিকতার শুরু৷ যদিও আইন বিভাগের ছাত্র কিন্তু ঝোকটা ছিল সাংবাদিকতার দিকেই৷ তাই ২০০২ সালে অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়া অবস্থায় দৈনিক খবরপত্রের বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতার যাত্রা শুরু হয়৷ এরপর ট্যাবলয়েড দৈনিক মানবজমিনে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার এবং পরে স্টাফ রিপোর্টার৷ গত বছরের জুলাইতে যোগ দেন রেডিও টুডেতে৷ এরপর এবছরের জুন থেকে ছয় মাসের ফেলোশীপ নিয়ে ডয়েচে ভেলের বাংলা বিভাগের শ্রোতাদের সঙ্গে রয়েছেন৷ ভালো লাগে গান শুনতে, বই পড়তে৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    মারিনা জোয়ারদার

    ঢাকায় আইন বিষয় নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে বাংলাদেশের বিমান পক্ষে আইনজীবি হিসেবে কাজ করেছি৷ পাশাপাশি বাংলাদেশ বেতারের ইংরেজী বিভাগের সঙ্গে সংযোগ৷ পরে জার্মানির স্টুটগার্ট শহরে এম বি এ-র পাঠ৷ ডয়েচে ভেলের সঙ্গে আমার যোগ ২০০৪ সাল এক বছরের ট্রেনিং প্রোগ্রাম দিয়ে৷ ২০০৫ সাল থেকে আমি বাংলা বিভাগে কাজ করছি৷ জার্মানিতে যারা পড়াশোনা করতে আগ্রহী, তাদের জন্য ক্যাম্পাস অনুষ্ঠানটি করছি দীর্ঘসময় ধরে৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    নুরুননাহার সাত্তার

    চিঠি, যোগাযোগ, বন্ধুত্ব ভালো লাগতো আগে থেকেই ৷ হয়তো বা সেই ভালো লাগা থেকেই ১৯৮৫ সালে ডয়চে ভেলের কেন্দ্রীয় চিঠিপত্র বিভাগে কাজ শুরু ৷ বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষাভাষী সহকর্মীদের সাথে কাজ, বন্ধুত্ব এবং অন্য সংস্কৃতিকে জানা তাঁর কাছে বড় পাওয়া৷ চিঠির মাধ্যমে শ্রোতাবন্ধুদের আন্তরিকাতায় এতোটাই জড়িয়ে গেছেন যে এখন আর নিজেকে আলাদা করে ভাবতে পারেন না৷ উপস্হাপনা করেন শ্রোতা-পাঠকের অনুষ্ঠান ইনবক্স৷

  • বিভাগ ও কর্মীরা

    নানা সেন

    ১৯৮৪ সাল থেকে আমি ডয়চে ভেলেতে প্রযোজিকা হিসেবে কাজ করছি৷ কোলন আর বন-এ পড়েছি সঙ্গীতবিজ্ঞান আর ভারততত্ত্ব৷ তাছাড়া এক সময় ফ্রি লান্স কর্মী হিসেবে ডয়চে ভেলের বাংলা অনুষ্ঠানের জন্য লিখেছি সঙ্গীতের ধারাবাহিক ফিচার৷

    আমাদের অনুষ্ঠান প্রযোজনা ও তার সম্প্রচারের সঙ্গে যুক্ত প্রশাসনিক ও বেশ কিছু অন্য দায়দায়িত্ব পালন করে থাকি আমি৷ কখনও কখনও এই কাজ হয়ে ওঠে খুবই চাপের, উত্তেজনার৷ তবে সব সময় খুবই আনন্দ পাই আমার কাজে৷